প্রতিবেদক: Israt Montaha | ক্যাটেগরি: জাতীয় | প্রকাশ: 17 Jun 2026, 8:25 AM
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে সরকারের গবেষণা ও এর অর্থনৈতিক প্রভাবের ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ২০১১ সাল থেকে এ বিষয়ে গবেষণা চালানো হয়েছে, যেখানে নারী গৃহিণীর হাতে সহায়তা গেলে তা তুলনামূলকভাবে বেশি পরিকল্পিতভাবে ব্যয় হয় বলে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (সম্ভাব্য সময়) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে—পুরুষের হাতে নির্দিষ্ট অর্থ গেলে তা দ্রুত অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। অন্যদিকে নারীরা একই অর্থ পরিবারকেন্দ্রিক প্রয়োজন যেমন—চিকিৎসা, সন্তানের শিক্ষা, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তায় অগ্রাধিকার দিয়ে ব্যয় করেন।
তিনি আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সহায়তা থেকে সঞ্চয়ের প্রবণতা তৈরি হয় এবং সেই সঞ্চয় ছোট উদ্যোক্তা কার্যক্রম যেমন হাঁস-মুরগি পালন বা ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগে ব্যবহৃত হতে পারে। এতে ধীরে ধীরে পরিবারের আয় বাড়ে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই অর্থনীতি ঘুরে স্থানীয় বাজারকেও শক্তিশালী করে। গ্রামের ভেতরে একাধিক পরিবারে নিয়মিত অর্থ প্রবাহ হলে মুদি দোকান, ছোট ব্যবসা ও স্থানীয় পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, যা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সহায়তা করে।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একটি গ্রামে শতাধিক পরিবারকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেওয়া হলে তা মাসিক কয়েক লাখ টাকার অর্থনৈতিক প্রবাহ তৈরি করে, যা সরাসরি স্থানীয় বাজারকে সক্রিয় করে তোলে।
ফ্যামিলি কার্ডের আওতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, শুরুতে নির্দিষ্ট শ্রেণি নির্ধারণের পরিকল্পনা থাকলেও পরে সম্ভাব্য অনিয়ম ও দুর্নীতি এড়াতে কর্মসূচিটি সর্বজনীন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পরিবারের নারীরা এই সুবিধার আওতায় আসবেন।
তিনি আরও বলেন, চলতি জুলাই থেকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৪১ লাখ ২০ হাজার পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক পরিবারে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ঘটবে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চক্র আরও শক্তিশালী হবে।
এই সংবাদটি শেয়ার করুন
অন্যান্য খবর
হাসানাহ ফাউন্ডেশনের মক্তব প্রকল্প পরিদর্শন করেন ড. মিজানুর র...
নিজস্ব প্রতিবেদককুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়ন চরবাড়িয়ায় অবস্থিত আফরিন জাহান ইসলামিক এক...
চান্দিনায় লরির ধাক্কায় পুকুরে সিএনজি, প্রাণ গেল চালকসহ দুজনে...
কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোরিকশা চালকসহ দুইজন নিহত হয়ে...
কুমিল্লার ঐতিহ্যের খোঁজে শুক্রবার সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায়...
কুমিল্লার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘুরে দেখতে শুক্রবার কুমিল্লা...
খামার পুস্করণী বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতায় পাঠদান ব্যাহত, দ্রুত সমা...
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার খামার পুস্করণী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে...
দেবীদ্বারে কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল...
কুমিল্লার দেবীদ্বারে ফসলি জমির মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগে অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান...
বরুড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোক, না ফেরার দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা শ...
বরুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক সর্দার আর নেই। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর রাজধান...
জমজ দুই বোনের স্বপ্ন ভেঙে ফিরল মৃত্যুর খবর, জাপানে না ফেরার...
মাত্র আট মাস আগে পরিবারের সবার দোয়া আর অসংখ্য স্বপ্ন বুকে নিয়ে জাপানের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছিলেন জমজ দুই...
শততম ম্যাচের দোরগোড়ায় স্কালোনি, আর্জেন্টিনার ইতিহাসে নতুন মা...
যে মানুষটিকে নিয়ে একসময় ছিল অসংখ্য প্রশ্ন, আজ তিনিই আর্জেন্টিনার ফুটবলের সবচেয়ে সফল অধ্যায়ের অন্যতম...
পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান পুড়িয়ে দিল...
ইন্দোনেশিয়ার অস্থির পাপুয়া অঞ্চলে এক মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যার পর তার পরিচালিত বিমানটিতে আগু...
এইচএসসির প্রথম দিনেই কুমিল্লা বোর্ডে অনুপস্থিত ১,৭৯৫ পরীক্ষা...
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠি...
বিসিবির কাউন্সিলর উদবাতুল বারী আবুকে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গনের...
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান,...
যুদ্ধবিরতির আড়ালে নতুন সংঘাতের শঙ্কা, হরমুজকে ঘিরে মুখোমুখি...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা হলেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমেনি। বরং হরমুজ প্রণালির...